Posts

ধর্ষণ কেন মহামারী

নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করলে তথাকথিত নারীবাদীরা নিরব থাকেন। কিন্তু নারীকে পর্দা করতে দেখলেই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এরা নারীর বন্ধু নাকি শত্রু, এদের এজেন্ডা নারী মুক্তি নাকি ইসলাম বিদ্বেষ-যাদের কাছে এ বিষয়টি এখনো পরিস্কার না, তাদের জন্য আক্ষেপ আর করুণা ছাড়া আর কি ই বা করার আছে! নারীবাদ একটি ভয়ংকর ফাঁদ। মুক্তির নামে নারীকে পণ্য বানানো এদের অর্জন। এই শয়তানি চক্রের ভণ্ডামি সময়ে সময়ে উম্মোচিত হয়ে যায়।

আন্দোলনের শুরু ও শেষ।

১৬-৯-২০২০ জোহর নামাজের প্রস্তুতি চলছে। ওজু-ইস্তেঞ্জা করে সবাই আস্তে আস্তে মসজিদের দিকে রওয়ানা হচ্ছে।  নির্ধারিত ইমাম সাহেবের পিছনে ইক্তেদা করে নামাজ পড়ছে সবাই। কিছুক্ষণের মধ্যে নামাজের ফরজিয়্যাত আদায় করে নিয়েছে মুসল্লিগণ। আলহামদুলিল্লাহ। হঠাত ইমাম সাহেবের ব্যবহৃত মাউথ স্পিকার নিয়ে কোনোএকজন ছাত্র দাঁড়িয়ে যায় এবং বলতে শুরু করে, "মাদ্রাসায় ছাত্রদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।" "আনাস মাদানীকে মাদ্রাসা থেকে বহিস্কার করতে হবে।" তখনই মসজিদে অবস্থানরত ছাত্র মুসল্লীগণ সমস্বরে 'ঠিইইইক' বলে চিৎকার দিয়ে উঠে। এবং সাথে সাথে সবাই মাদ্রাসা মাঠের দিকে উত্তপ্ত বালির মত যেতে থাকে। (এখানে একটি কথা বলে রাখি। যখনই বক্তা ছাত্রটি স্পিকার নিয়ে দাঁড়িয়ে যায় তখন চার থেকে পাঁচজন ছাত্র তাকে হেফাজত বা শ্যাল্টারের জন্য দাঁড়িয়ে যায়। উদ্দেশ্য, যাতে দালাল কোনো ছাত্র তার ক্ষতি করতে না পারে।) মাঠে অবস্থানরত ছাত্ররা "আনাস মাদানীকে মাদ্রাসা থেকে বহিস্কার করতে হবে" "ঠিইইক" "ঠিইইক" মিছিলে গরম করে দিচ্ছে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ। কেউ মাদ্রাসা মাঠে, কেউ তো মাদ্রাসার বিভিন্ন বিল্ডিংয়ে...